৫০%
জুম করতে ট্যাপ করুন
উলামা-তলাবার জন্য যিক্র ও নফল ইবাদাত
☆☆☆☆☆
(০ রিভিউ)
২৬০৳
৫২০৳
(৫০% ছাড়ে)
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলার ফযল ও করমে মাকতাবাতুল আশরাফ থেকে সময়েপযোগী একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কিতাব প্রকাশিত হয়েছে- 'উলামা-তলাবার জন্য যিকর ও নফল ইবাদাত: গুরুত্ব, উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা।।এটি এক বাস্তবতা যে, আমাদের সালাফে সালেহীনের যে সমস্ত উক্তি থেকে ইলমে-দ্বীনের কিতাবাদির মুতালাআ ও দরস-তাদরী...
অফারে আরো যা পাচ্ছেন
- ৪৯৯ টাকার অর্ডারে বুকমার্ক ফ্রি
- ১০০০ টাকার অর্ডারে ডেলিভারি ফ্রি
- প্রতিটি বই যত্নসহকারে প্যাকেজিং
বিষয়: ইবাদাত, আমল ও আমলের সহায়িকা
প্রকাশনী: মাকতাবাতুল আশরাফ
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলার ফযল ও করমে মাকতাবাতুল আশরাফ থেকে সময়েপযোগী একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কিতাব প্রকাশিত হয়েছে- 'উলামা-তলাবার জন্য যিকর ও নফল ইবাদাত: গুরুত্ব, উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা।।
এটি এক বাস্তবতা যে, আমাদের সালাফে সালেহীনের যে সমস্ত উক্তি থেকে ইলমে-দ্বীনের কিতাবাদির মুতালাআ ও দরস-তাদরীস প্রভৃতি যিকর, তিলাওয়াত ও কিয়ামুল লাইল থেকে উত্তম হওয়ার কথা প্রমাণিত হয়, তা থেকে কেউ কেউ ভুল বুঝাবুঝির শিকার হয়েছেন। তারা তাহাজ্জুদ ও নাওয়াফেল এবং যিকর ও ওযীফা একেবারে পরিহার করে পূর্ণ সময় তালীম ও তাবলীগে ব্যয় করা শুরু করেছেন।
অথচ মহান ফুকাহা ও মুহাদ্দিসীন এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল আলেমের কর্মপরম্পরা দেখলে এটিই প্রমাণিত হয় যে, তাঁদের কেউই গুরুত্বপূর্ণ নাওয়াফেল তাহাজ্জুদ ইত্যাদি এবং গুরুত্বপূর্ণ আযকার ছেড়ে ইলমী কাজসমূহ অবলম্বন করেননি। বরং ইলমী যাবতীয় খেদমাতের পাশাপাশি যিকর-আযকার, তাহাজ্জুদ ও নাওয়াফেলের ধারাবাহিকতাও সমানভাবে অব্যাহত রেখেছিলেন।
ইমাম আবু হানীফা রাহিমাহুল্লাহ চল্লিশ বছর যাবৎ অবিরাম এশার ওযু দিয়ে ফজর নামায পড়েছেন। দৈনিক একবার পুরো কুরআন মাজীদ খতম করতেন। হেদায়া গ্রন্থের রচয়িতা আল্লামা বুরহানুদ্দীন মারগীনানী রাহিমাহুল্লাহু তেরো বছর নিয়মিত রোযা রেখেছেন। কাউকে তা বুঝতেই দেননি।
উদাহরণস্বরূপ কেবল এই দুই মনীষীর কথা উল্লেখ করা। অন্যথায় এই ধারার প্রত্যেক মনীষীর অবস্থাই অভিন্ন। এ সিলসিলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব বুযুর্গই এমন।
তালীম ও তাআল্লুম, তাদরীস ও তাবলীগ, তাসনীফ ও তালীফের পাশাপাশি আমাদের ইলমী ও আমলী যিন্দেগী কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে আমাদের আসলাফ ও আকাবির তাঁদের বয়ান ও রচনায় সুস্পষ্ট নির্দেশনা রেখেছেন।
আকাবির-আসলাফের আরবী ও উর্দু কিতাবাদি থেকে দীর্ঘ মুতালাআ ও অনুসন্ধানের পর সে নির্দেশনাগুলোই এ সংকলনে অমূল্য তোহফা আকারে তলাবায়ে কেরাম ও উলামায়ে ইযামের সমীপে পেশ করা।
এটি এক বাস্তবতা যে, আমাদের সালাফে সালেহীনের যে সমস্ত উক্তি থেকে ইলমে-দ্বীনের কিতাবাদির মুতালাআ ও দরস-তাদরীস প্রভৃতি যিকর, তিলাওয়াত ও কিয়ামুল লাইল থেকে উত্তম হওয়ার কথা প্রমাণিত হয়, তা থেকে কেউ কেউ ভুল বুঝাবুঝির শিকার হয়েছেন। তারা তাহাজ্জুদ ও নাওয়াফেল এবং যিকর ও ওযীফা একেবারে পরিহার করে পূর্ণ সময় তালীম ও তাবলীগে ব্যয় করা শুরু করেছেন।
অথচ মহান ফুকাহা ও মুহাদ্দিসীন এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল আলেমের কর্মপরম্পরা দেখলে এটিই প্রমাণিত হয় যে, তাঁদের কেউই গুরুত্বপূর্ণ নাওয়াফেল তাহাজ্জুদ ইত্যাদি এবং গুরুত্বপূর্ণ আযকার ছেড়ে ইলমী কাজসমূহ অবলম্বন করেননি। বরং ইলমী যাবতীয় খেদমাতের পাশাপাশি যিকর-আযকার, তাহাজ্জুদ ও নাওয়াফেলের ধারাবাহিকতাও সমানভাবে অব্যাহত রেখেছিলেন।
ইমাম আবু হানীফা রাহিমাহুল্লাহ চল্লিশ বছর যাবৎ অবিরাম এশার ওযু দিয়ে ফজর নামায পড়েছেন। দৈনিক একবার পুরো কুরআন মাজীদ খতম করতেন। হেদায়া গ্রন্থের রচয়িতা আল্লামা বুরহানুদ্দীন মারগীনানী রাহিমাহুল্লাহু তেরো বছর নিয়মিত রোযা রেখেছেন। কাউকে তা বুঝতেই দেননি।
উদাহরণস্বরূপ কেবল এই দুই মনীষীর কথা উল্লেখ করা। অন্যথায় এই ধারার প্রত্যেক মনীষীর অবস্থাই অভিন্ন। এ সিলসিলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব বুযুর্গই এমন।
তালীম ও তাআল্লুম, তাদরীস ও তাবলীগ, তাসনীফ ও তালীফের পাশাপাশি আমাদের ইলমী ও আমলী যিন্দেগী কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে আমাদের আসলাফ ও আকাবির তাঁদের বয়ান ও রচনায় সুস্পষ্ট নির্দেশনা রেখেছেন।
আকাবির-আসলাফের আরবী ও উর্দু কিতাবাদি থেকে দীর্ঘ মুতালাআ ও অনুসন্ধানের পর সে নির্দেশনাগুলোই এ সংকলনে অমূল্য তোহফা আকারে তলাবায়ে কেরাম ও উলামায়ে ইযামের সমীপে পেশ করা।
0/5
☆☆☆☆☆
(০ রিভিউ)
★★★★★
(০)
★★★★☆
(০)
★★★☆☆
(০)
★★☆☆☆
(০)
★☆☆☆☆
(০)
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই লিখুন।
এখনো কোনো প্রশ্ন নেই। প্রথম প্রশ্নটি আপনিই করুন।
এই বইয়ের কোনো ভিডিও নেই।
মূল তথ্য
| লেখক | মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ মারূফ |
| প্রকাশনী | মাকতাবাতুল আশরাফ |
| পৃষ্ঠা | 256 |
| ভাষা | বাংলা |